Biborton Bangla

  • হোমপেজ
  • নিয়মাবলী
  • নোটিশ বোর্ড
  • আমাদের কথা
  • সাহায্যের পাতা
  • যোগাযোগ
  • লগইন
  • রেজিষ্ট্রেশন

উন্মুক্ত খবর

  • আন্তর্জাতিক খবর
  • দেশের খবর
  • সংবাদ প্রতিক্রিয়া

সাহিত্য

  • অভিজ্ঞতা
  • কবিতা
  • গল্প
  • প্রবন্ধ
  • ভ্রমনকাহিনী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

  • টিপস্ এন্ড ট্রিকস্
  • নতুন প্রযুক্তি
  • প্রযুক্তির খবর
  • প্রোডাক্ট রিভিউ

বিনোদন

  • কৌতুক
  • প্রিয় তারকা
  • বিনোদন খবর
  • মুভি ও মিউজিক
  • খেলাধুলা

স্বাস্থ্য

  • জরুরী তথ্যাবলী
  • পরামর্শ ও টিপস্
  • স্বাস্থ্য কলাম

বিবিধ

  • জীবনের পথে
  • নোটিশ বোর্ড
Subscribe to RSS feed
হোমপেজ / বিনোদন / মুভি ও মিউজিক / থ্রি ইডিয়টস সম্পর্কে ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান-এর লেখকের মন্তব্য

থ্রি ইডিয়টস সম্পর্কে ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান-এর লেখকের মন্তব্য

Author আমিনুল ইসলাম সজীব Publish Date Jan 7 at 8:58pm View 520 Share Email

সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়েই থ্রি ইডিয়টস ছবিটিতে সুবিখ্যাত ভারতীয় ইংরেজি উপন্যাস ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান-এর কাহিনী ব্যবহৃত হয়েছে। পরিচালক রাজকুমার হিরানির এই ছবিটি ইতোমধ্যেই বেশ সাড়া ফেললেও ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান এর পাঠকরা আওয়াজ তুলেছেন যে, এর কাহিনী নকল করা। এমনকি, যার কাহিনী অবলম্বন করে পুরোটা ছবি চিত্রায়িত হলো, তাকে কোনো ক্রেডিট দেয়া হয়নি বলেও অনেক দর্শকের অভিযোগ।

বিষয়টাকে চাঙ্গা করে তোলে যখন ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান-এর লেখক Chetan Bhagat তার ব্লগে একটি পোস্ট করে নকল করার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ব্লগে প্রকাশিত ঐ পোস্টে তিনি জানান, তার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে ছবিটির নির্মাতাদের পক্ষ থেকে। এছাড়াও তিনি পুরো বিষয়টির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্রও তুলে ধরেছেন পাঠকদের সামনে।

বিবর্তনের পাঠকদের জন্য Chetan Bhagat এর থ্রি ইডিয়টস সম্পর্কে লেখা পোস্টটি বাংলায় অনুবাদ করে প্রকাশ করা হলো।

"থ্রি ইডিয়টস ছবিটির ক্রেডিট নিয়ে সম্প্রতি অনেক আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা চলছে। ব্যাপারটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আমি মনে করি এ বিষয়ে কিছু কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, থ্রি ইডিয়টস এর নির্মাতারা অন্যায় কাজ করছেন এবং আমার হাজার হাজার পাঠকও ঠিক তাই অভিযোগ করছেন। ব্যাপারটা আমি জানি। তবে এটা এমন কিছু নয় যে 'হঠাৎ করেই উঠে এলো'। বরং, প্রায় দুই বছর ধরে আমি এ বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি যদিও তেমন কোনো কথা প্রকাশ করিনি।

আমার উপন্যাসের কাহিনী নিয়ে ফিল্মটি তৈরি হয়েছে, এই বিষয়টি ধরা পড়ার একমাত্র কারণ হলো ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান উপন্যাসটির রয়েছে লক্ষাধিক পাঠক। যখনই আপনি জনপ্রিয় কোনো গল্প নকল করবেন এবং একে "আসল" এবং "একেবারেই ভিন্ন" বলে দাবি করবেন, তখনই মানুষ ব্যাপারটিকে খতিয়ে দেখতে চাইবে। ঠিক তেমনটাই আমার পাঠকরা করছেন। একইসঙ্গে সাংবাদিকরাও খুঁজে বের করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন আসল সত্যের।

আসলে বিষয়টি খুব একটা জটিল নয়। খুবই সোজা একটি ব্যাপার। ঘটনা হলো, থ্রি ইডিয়টস ছবিটির নির্মাতারা ছবির কাহিনীতে ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ানের গল্প ব্যবহার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ানের সঙ্গে এই ছবির কোনো সম্পর্ক নেই; যদিও স্পষ্টভাবেই বোঝা যায় যে ছবির পুরো কাহিনীই ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ানের।

ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগে নির্মাতারা বলেছিলেন যে, ছবিটির ৪ থেকে ৫ শতাংশ কাহিনী ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান উপন্যাস থেকে নেয়া হয়েছে। অথচ মুক্তি পাওয়ার পর দেখা গেছে যে, ছবির পুরোটাই উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি। ছবির গল্প, চরিত্র, মেসেজ, প্লট, কাহিনীর নাটকীয় মোড় নেয়া ইত্যাদি সবই ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান থেকে নেয়া। হ্যাঁ, কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে বটে, তবে তাই বলে একে কোনোভাবেই "অরিজিনাল" বলা যাবে না। শীর্ষস্থানীয় মুভি ক্রিটিক্সরা গোপনে আমার কাছে স্বীকার করেছেন যে, ছবিটির ৭০ শতাংশই ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান। তবুও আমি বলবো, আমার কথা না শুনে বইটি পড়ুন এবং তারপর ছবিটি দেখুন। আপনিই বুঝতে পারবেন ছবিটি বইয়ের কাহিনীর নকল কি না।

প্রথমে আমি এটা দেখে একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ, আমাকে বলা হয়েছিল যে ছবিটাতে রয়েছে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম একটি কাহিনী। যদিও আমি চূড়ান্ত স্ক্রিপ্ট দেখতে চেয়েছিলাম এবং কর্তৃপক্ষ আমাকে দেখতে দেয়নি, আমি বিশ্বাস করেছিলাম যে ছবিটির একটি আলাদা কাহিনী রয়েছে।

তবে যেহেতু নির্মাতারা নিজেরাই বলেছেন যে, ছবিটির ৪-৫ শতাংশ আমার গল্প থেকে নেয়া হয়েছে, আইনগত কারণেই "Based on a novel by" বলে একটি ক্রেডিট ছবিতে দেয়ার কথা ছিল। চুক্তিতেও এমনটাই বলা ছিল। অথচ ছবির নির্মাতারা আমাকে মুক্তির আগে তাদের অফিসে নিয়ে গিয়ে এই ক্রেডিট উঠিয়ে দেয়ার অনুমতির জন্য পীড়াপীড়ি করেন। নির্মাতাদের ইচ্ছে ছিল তারা ক্রেডিটে লিখবেন "initiated by"; যদিও এমন কোনো ক্রেডিট বিশ্বের কোথাও ব্যবহৃত হয় না।

প্রত্যুত্তরে আমি বলেছিলাম যে, ছবিটির কাহিনীর সঙ্গে যদি আমার গল্পের কাহিনীর মিল না থাকে, তাহলে আমি হাসিখুশিভাবেই ক্রেডিট উঠিয়ে নেব। তবে ছবির বিজ্ঞাপন দেখে আমার মনে হয় না যে ছবির আলাদা একটি কাহিনী রয়েছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য ছবিটি দেখতে চাইলে নির্মাতারা নীরবতা অবলম্বন করেন।

এরপর দ্রুতই ছবিটির বিজ্ঞাপনী কার্যক্রম শুরু হয়। অবশ্যই এসব কিছু থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয় আমাকে। আপনারা আমার কোনো ইন্টারভিউ বা এমন কিছু ছবিটির প্রমোশনাল কার্যক্রমে দেখতে পাবেন না।

মুক্তি পাওয়ার দশদিন আগে আমাকে নির্মাতারা তাদের অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়ে বলেন, 'আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠা উচিৎ।' আমি বললাম, বন্ধুত্ব তৈরিতে আমি সবসময়ই প্রস্তুত। এছাড়াও ছবিটি সফল হলে আমিও খুশিই হবো। তখন তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, "ছবিটির কাহিনী অরিজিনাল হওয়া সত্ত্বেও আমরা আপনাকে ক্রেডিট লাইন দিচ্ছি। লেখকদের আমরা পছন্দ করি। তাছাড়া একজন রাজার উচিৎ আরেকজন রাজার সঙ্গে সম্মানসূচক আচরণ করা। তুমিও আমাদের পরিবারের অংশ।"

তাদের কথায় আমি বিশ্বাস করেছিলাম। তারপর আমি আমার পরিবার এবং মিডিয়াকেও পরিষ্কার করে বলে দিয়েছি ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ানের গল্প থ্রি ইডিয়টসে আশা না করতে।

তারপর থ্রি ইডিয়টসের প্রিমিয়ার দেখতে গেলাম। থিয়েটারে বসে আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা অবাক হয়ে ছবিতে কাহিনীর সিকুয়েন্স দেখছিলেন। আমি তাদের বলে রেখেছিলাম ছবিটি লক্ষ্য করে দেখতে এবং ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ অংশটুকু নোটবইয়ে টুকে রাখতে। কিন্তু সাদৃশ্য নয়, বরং হুবহু একই ঘটনা ছবিতে এতটাই বেশি যে, সবগুলোর নোট রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

যাই হোক, আমার পরিবারের কেউ ছবির শুরুর সময় ক্রেডিট লাইন খুঁজে পায়নি। ছবির কাহিনীর জন্য আমাকে কোনো ক্রেডিটই দেয়া হয়নি। তখন বুঝতে পারলাম, অফিসে বসে "এক রাজাকে আরেক রাজার সম্মানসূচক আচরণ" ব্যাপারটা পুরোটাই মিথ্যা।

আমি বুঝতে পারলাম যে তারা আমার সঙ্গে খেলা করলো। আমার গল্প নেয়া হয়েছে, এর জন্য আইনগত ভাবেই "based on a story by" ক্রেডিট লাইন দিতে বাধ্য থ্রি ইডিয়টসের নির্মাতারা। তারা লাইনটি দিয়েছেনও; তবে ছবির একেবারে শেষে। জুনিয়র আর্টিস্ট এবং স্টিল ফটোগ্রাফারদের দেখানোর পরে এক পলকের জন্য এই লাইনটি দেখানো হয়। আর এতোটাই দেরিতে লাইনটা দেখানো হয় যে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল ছবির পরিচালকের কোনো ইচ্ছেই ছিল না দর্শকরা ব্যাপারটা জানুক।

পরিচালকের ইচ্ছে কিছুটা হলেও পূর্ণ হয়েছে। আমার মা-ই আমার নাম ঠিকমতো দেখতে পাননি। এ জন্য তিনি পরে কেঁদেছেনও। আমি তাকে সান্তুনা দিয়ে বলেছি, 'এটা কোনো ব্যাপার না। মানুষ ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান সম্পর্কে জানে।' কিন্তু তারপরেও, আমি বেশ দুঃখ পেয়েছিলাম।

প্রিমিয়ার শেষে আমি নির্মাতাদের কাছে গিয়েছিলাম এবং ব্যাপারটি জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাকে এটি ভুলে যেতে বলল। আমি ভেবেছিলাম আমি ভুলে যেতে পারবো, কিন্তু আসলে এটা খুবই কঠিন। শুধু একজন সৃজনশীল লেখকই পারেন কষ্টটা উপলব্ধি করতে। তবুও আমি বাড়ি ফিরে এলাম এবং ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলাম আমার গল্পটি এতো মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করে দেয়ায়।

ছবিটি মুক্তি পাওয়ার প্রায় পরপরই আমার মেইলবক্স এবং টুইটার একাউন্টে ভক্তদের মেসেজের যেন বন্যা বয়ে যাচ্ছিল। অধিকাংশ পাঠকই জানিয়েছেন যে, তারা টিভিতে পরিচালকের ইন্টারভিউ দেখেছেন যেখানে ছবিতে ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান গল্পটি অবলম্বন করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও ছবিটিতে তারা ক্রেডিট লাইন খুঁজে পাননি। আমি তাদেরকে তাৎক্ষণিক কোনো মতামত না জানিয়ে তাদের মন্তব্যগুলোই থ্রি ইডিয়টসের নির্মাতাদের কাছে পাঠিয়ে দেই। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর আমি পাইনি।

শিগগিরই সাংবাদিকরা ছবিটি দেখলেন এবং আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে সংবাদ করতে চাইলেন। আমি যতটা সম্ভব তাদের এড়ানোর চেষ্টা করলাম। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই আমাকে আগে বিভিন্ন বিষয়ে সাহায্য করেছেন। তাই আমি তাদের আজীবন এড়িয়ে যেতে পারি না। অতএব, আমাকে মুখোমুখি হতে হলো দিল্লির এক সাংবাদিকের। তিনি এই ব্যাপারে আমার মন্তব্য জানতে চাইলে আমি শুধু একটি শব্দ বলেছি, তা হলো "আশ্চর্য"।

আর ঠিক তখনই সংবাদটি দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

বন্ধগণ, এটাই হচ্ছে আসল ঘটনা। অবশ্য এরইমাঝে থ্রি ইডিয়টসের নির্মাতারা অভিযোগ করেছেন যে, আমি খ্যাতি অর্জন করার চেষ্টা চালাচ্ছি। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে সম্পূর্ণ উল্টোটা। মূলত থ্রি ইডিয়টসের নির্মাতারাই আমার লেখা নকল করে সেটা দিয়ে ছবি নির্মাণ করে খ্যাতি অর্জন করতে চাচ্ছেন। তবে আমি জানতাম আমার পাঠকরা ঠিকই বিষয়টি ধরতে পারবেন।

কিন্তু ছবিটি এমন সব দর্শকদের মাঝেও পৌঁছেছে যারা আদৌ ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান পড়েননি। কাহিনীর আসল লেখক কে, তা জানার অধিকার তাদের সবারই আছে। আর সে জন্যই আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি।

এখানে আমার একটা কথা বলার আছে। নির্মাতারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য আমির খানকে সামনে আনতে চাচ্ছেন, কেননা তার কথা সবাই বিশ্বাস করবে। অথচ এই ব্যাপারে আমির খান একেবারেই জড়িত নন। আমি নিজেও আমির খানের একজন ভক্ত। তবে থ্রি ইডিয়টসের নির্মাতারা তাকে ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান বইটি পড়তে নিষেধ করেছিলেন। কাজেই, তিনি বইটি পড়েননি। যখন তার সঙ্গে আমার দেখা হয়, তখন আমাদের দু'জনকেই বলা হয়েছিল যে ছবির কাহিনী অরিজিনাল। তিনি বইটি পড়েননি, আর আমি ছবির স্ক্রিপ্টও পড়িনি। সুতরাং, আমাদের পক্ষে কিছু বোঝা সম্ভব ছিল না।

সবাইকে আমি আবারও অনুরোধ করবো, ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান বইটি পড়ুন এবং তারপর থ্রি ইডিয়টস দেখুন। অস্বাভাবিক মিলগুলো নিজেই ধরতে পারবেন।"

সংক্ষেপিত

থ্রি ইডিয়টস ছবিতে বেশ কিছু মেসেজ দেয়া হয়। তার মধ্যে একটি হলো যে কাজে আগ্রহ আছে, যে কাজে প্রতিভা আছে, ঠিক সেই কাজটিই করতে; এবং নিজে করতে। ছবির সেই বার্তা অবলম্বন করেই  ভারতের সর্বাধিক জনপ্রিয় এই ইংরেজি লেখক সবাইকে অনুরোধ করেছেন ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান পড়ে থ্রি ইডিয়টস ছবিটি দেখার। তার ধারণা, পাঠক নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন থ্রি ইডিয়টস ছবির কাহিনী ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান-এর নকল কি না।

ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান বইটির পিডিএফ কপি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

| পাঠকদের মন্তব্য
Biborton Bangla ISSN: 2074-5532
Visit Biborton English
Powered By WebHostBD
সর্বস্বত্বঃ বিবর্তন, ২০০৮
হোমপেজ | শর্তাবলী | গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিবৃতি
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম