জ্বরের লক্ষণ হলো রোগীর শরীর গরম হবে, পিপাসা ও অস্বস্তি অনুভব করবে, মাথাব্যথা ও শীতবোধ থাকবে। থার্মোমিটার না থাকলে হাতের উল্টো পিঠ রোগীর কপালে ছোঁয়াতে হবে, রোগীর মাথা গরম লাগলে তার শরীরে জ্বর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
চিকিৎসা
- শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট হলেই রোগীকে ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর মুছে এবং মাথা ধুইয়ে দিতে হবে।
- এরপর রোগীর জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ দিতে হবে।
- শরীরের তাপমাত্রা নিয়মিত পর্যবেণ করতে হবে। ডেঙ্গু সন্দেহ হলে রক্ত পরীক্ষা জরুরি বিধায় সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া দরকার ।
- অত্যধিক জ্বরে খিঁচুনি হতে পারে তবে খিঁচুনী শিশুদের বেশি হয়। এ সময় মাথায় পানি দেওয়া এবং শরীর মুছে দেওয়া জরুরি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
- মনে রাখতে হবে এরূপ ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন, ইনফাম ইত্যাদি জ্বর/ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না। অ্যান্টিবায়োটিক-জাতীয় কোনো ওষুধও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
- রোগীর শরীরের তাপমাত্রা বেশি হলে তাকে ফ্যানের নিচে রাখতে হবে। লেপ-কম্বল ইত্যাদি দিয়ে গা ঢেকে রাখা উচিত নয়।
কীভাবে রোগীর তাপমাত্রা দেখতে হবেথার্মোমিটার ব্যবহারের নিয়ম
- থার্মোমিটার ভালোভাবে সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে রেকটিফায়েড স্পিরিট বা স্যাভলন দিয়ে মুছে নিতে হবে। তারপর ভালোভাবে ঝেড়ে পারদের দাগ ৯৭ ডিগ্রির নিচে নিতে হবে।
- থার্মোমিটার মুখে ও বগলে ব্যবহার করা যায় ।
- মুখে দিলে ২ মিনিট, বগলে দিলে ৩ মিনিট রাখতে হয়।
- মুখের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট, বগলের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৭.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট।